Sun, Dec 30th, 2012 8:38 pm BdST
|
এজন্য দেশটির পক্ষ থেকে ইতোমধ্যেই প্রাথমিক পর্যায়ের চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে।
প্রথম পর্যায়ে ৩০ হাজার কর্মী দেশটিতে পাঠানোর কথা থাকলেও রোববার শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ১০ হাজার কর্মীর চাহিদাপত্র পাওয়া গেছে বলে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, চাহিদাপত্র পাওয়ায় মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সোমবারই সংবাদ সম্মেলন করে মালয়শিয়ায় কর্মী পাঠানোর প্রস্তুতি শুরুর ঘোষণা দেয়া হবে।
সোমবার বিকাল ৩টায় প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন।
মন্ত্রী রোববার বিকালে ইস্কাটনে প্রবাসী কল্যাণ ভবনে সাংবাদিকদের বলেন, “মালয়শিয়ায় কর্মী পাঠানোর ব্যাপারে সুখবর তৈরি হচ্ছে। সোমবার বিকালে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করে এ ব্যাপারে গণমাধ্যমকে জানানো হবে।”
সংবাদ সম্মেলনের আগে এই বিষয়ে কিছু বলতে রাজি হননি তিনি।
মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, এই পর্যন্ত ১০ হাজার কর্মীর চাহিদাপত্র পাওয়া গেছে। বাকি চাহিদাপত্র আসার প্রক্রিয়াও চলছে।
“জানুয়ারিতে নিবন্ধন শুরুর আগে তাদের প্রাথমিক পর্যায়ের চাহিদাপত্র আসা শেষ হবে। এতে তাদের নির্দিষ্ট কোটাও পূরণ হয়ে যেতে পারে।”
এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা শহিদুল আলম মজুমদার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, সংবাদ সম্মেলনে নিবন্ধন শুরুর দিনক্ষণসহ মালয়শিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী যাওয়ার পুরো প্রক্রিয়াই তুলে ধরবেন মন্ত্রী। এতে প্রক্রিয়াগত যেসব পরিবর্তন রয়েছে, তাও তিনি উল্লেখ করবেন।
খন্দকার মোশাররফ হোসেন রোববার বলেন, “মালয়শিয়ায় কর্মী পাঠানোয় অভিবাসন ব্যয় নির্ধারণ করায় একটি বিশেষ গোষ্ঠী আমার পদত্যাগ দাবি করেছিল। এরপরও সিদ্ধান্তে অনড় থেকে ৪০ হাজার টাকা নির্ধারণ করেছি। কেউ যদি এর বেশি টাকা নেয়, তবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।”
কোথাও কোথাও দালাল গোষ্ঠী ৮০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত আদায় করছে বলে অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পাচ্ছি। এসব বন্ধ করতে হবে। কোনো বিশেষ গোষ্ঠীর কাছে টাকা দেয়া বন্ধ করতে হবে।”
তা বন্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টির ওপরও জোর দেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী।
তিনি জানান, আগে পুরুষদের ক্ষেত্রে ৮৪ হাজার টাকা এবং নারীদের ক্ষেত্রে ২০ হাজার টাকা ব্যয় নির্ধারিত ছিল।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এমকে/এমআই/২০৩৫ ঘ.



Fine
ReplyDelete