প্রিয় উদ্যোক্তা বন্ধুরা,
আমার সালাম ও শুভেচ্ছা রইল। আশা করি আপনারা সকলে ভাল আছেন। আজ জুম্মার দিন। জুম্মার নামাজ আদায় করে যথা নিয়মে আমি আমার স্বপ্নের কেন্দ্রে বা ইউআইএসসিতে। ল্যাপটপ অন করে নেটে প্রবেশ করার পরে আমাদের সকলের ব্লগে প্রবেশ করি। হঠাৎ চোখে পড়ে আখি ম্যাডামের পোষ্ট করা একটি ব্লগ। তাই আমি ব্লগপোষ্ট নিচে আপনাদের জন্য তুলে ধরলাম। আর ভুল হলে ক্ষমা করবেন।
মালয়েশিয়ার পর এবার হংকংয়ে কাজের সুযোগ পাচ্ছেন বাংলাদেশের নারী শ্রমিকরা। গৃহকর্মী হিসাবে দুই লাখের বেশি নারী শ্রমিক নেবে হংকং সরকার।চলতি বছরই প্রায় ৫০ হাজার নারী শ্রমিক হংকংয়ে কাজের জন্য যেতে পারবেন।আগামী মাসের শুরুতেই এ-সংক্রান্ত নিবন্ধন শুরু হবে বলে জানা গেছে। হংকং সরকার ইতিমধ্যে ৫০ হাজার নারী কর্মী চেয়ে একটি ডিমান্ড লেটার পাঠিয়েছেন।হংকংয়ে এসব নারী কর্মী মাসপ্রতি ৫০ হাজার টাকা বেতন পাবেন।হংকং যেতে খরচ হবে সর্বচ্চ ৪৫থেকে ৫০ হাজার কাটা।যাওয়ার সময় কোনো নারী শ্রমিক টাকা না দিতে পারলে হংকং যাওয়ার পর বেতন থেকে মাসিক ছোট কিস্তিতে টাকা পরিশোধ করতে পারবেন। মালয়েশিয়ার মত সারা দেশেই নিবন্ধনপ্রক্রিয়া শুরু হবে বলে বিএমইটি সূত্র জানায়। জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর(বিএমইটি)মহাপরিচালক শামসুন নাহার বলেন হংকংয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের ইতিমধ্যে একটি চুক্তি হয়েছে। প্রায় দুই লাখ নারী কর্মী নে্বে হংকং।প্রথম অবস্থায় ৫০ হাজার নারী কর্মী নেওয়া হবে।খরচ পড়বে ৪৫থেকে ৫০ হাজার টাকা। হংকংয়ে মালয়েশিয়ার চেয়ে দ্বিগুন বেতন পাওয়া যাবে জানিয়ে শামসুন্নাহার আরো বলেন এসব নারী কর্মী প্রতি মাসে ৫০ হাজার টাকা বেতন পাবেন।হংকং যাওয়ার সময় বিমান ভাড়া ট্রেনিংসহ সব কিছুর ভার বহন করবে হংকং সরকার তবে সেখানে যাওয়ার পর বেতন থেকে খরচের টাকা কেটে নেওয়া হবে।কেরানীগঞ্জ ও মিরপুরের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ইতিমধ্যে প্রথম ব্যাচের ৫৪ জনের একটি টিমের প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। মহাপরিচালক আরো বলেন হংকং সরকার ইতিমধ্যে বাংলাদেশ সরকারের কছে ডিমান্ড লেটার পাঠিয়েছে।এতে প্রাথমিক ভাবে ৫০ হাজার নারী কর্মী চাওয়া হয়েছে।বছরে এক লাখের বেশি শ্রমিক নিতে পারে হংকং সরকার। বিএমইটি সূত্র জানায়,হংকং গমনেচ্ছুদের প্রশিক্ষণ চলবে দুইমাস ।প্রাথমিক অবস্থায় কেরানীগঞ্জ ও মিরপুরের প্রশিক্ষন কেন্দ্রে তাদের প্রশিক্ষণ চলবে। মালয়েশিয়ার মতোই সারা দেশে নিবন্ধনের মাধ্যমে লটারি করে হংকংয়ে শ্রমিক পাঠানো হবে।
তথ্য সূত্র:কালের কন্ঠ
আমার সালাম ও শুভেচ্ছা রইল। আশা করি আপনারা সকলে ভাল আছেন। আজ জুম্মার দিন। জুম্মার নামাজ আদায় করে যথা নিয়মে আমি আমার স্বপ্নের কেন্দ্রে বা ইউআইএসসিতে। ল্যাপটপ অন করে নেটে প্রবেশ করার পরে আমাদের সকলের ব্লগে প্রবেশ করি। হঠাৎ চোখে পড়ে আখি ম্যাডামের পোষ্ট করা একটি ব্লগ। তাই আমি ব্লগপোষ্ট নিচে আপনাদের জন্য তুলে ধরলাম। আর ভুল হলে ক্ষমা করবেন।
মালয়েশিয়ার পর এবার হংকংয়ে কাজের সুযোগ পাচ্ছেন বাংলাদেশের নারী শ্রমিকরা। গৃহকর্মী হিসাবে দুই লাখের বেশি নারী শ্রমিক নেবে হংকং সরকার।চলতি বছরই প্রায় ৫০ হাজার নারী শ্রমিক হংকংয়ে কাজের জন্য যেতে পারবেন।আগামী মাসের শুরুতেই এ-সংক্রান্ত নিবন্ধন শুরু হবে বলে জানা গেছে। হংকং সরকার ইতিমধ্যে ৫০ হাজার নারী কর্মী চেয়ে একটি ডিমান্ড লেটার পাঠিয়েছেন।হংকংয়ে এসব নারী কর্মী মাসপ্রতি ৫০ হাজার টাকা বেতন পাবেন।হংকং যেতে খরচ হবে সর্বচ্চ ৪৫থেকে ৫০ হাজার কাটা।যাওয়ার সময় কোনো নারী শ্রমিক টাকা না দিতে পারলে হংকং যাওয়ার পর বেতন থেকে মাসিক ছোট কিস্তিতে টাকা পরিশোধ করতে পারবেন। মালয়েশিয়ার মত সারা দেশেই নিবন্ধনপ্রক্রিয়া শুরু হবে বলে বিএমইটি সূত্র জানায়। জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর(বিএমইটি)মহাপরিচালক শামসুন নাহার বলেন হংকংয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের ইতিমধ্যে একটি চুক্তি হয়েছে। প্রায় দুই লাখ নারী কর্মী নে্বে হংকং।প্রথম অবস্থায় ৫০ হাজার নারী কর্মী নেওয়া হবে।খরচ পড়বে ৪৫থেকে ৫০ হাজার টাকা। হংকংয়ে মালয়েশিয়ার চেয়ে দ্বিগুন বেতন পাওয়া যাবে জানিয়ে শামসুন্নাহার আরো বলেন এসব নারী কর্মী প্রতি মাসে ৫০ হাজার টাকা বেতন পাবেন।হংকং যাওয়ার সময় বিমান ভাড়া ট্রেনিংসহ সব কিছুর ভার বহন করবে হংকং সরকার তবে সেখানে যাওয়ার পর বেতন থেকে খরচের টাকা কেটে নেওয়া হবে।কেরানীগঞ্জ ও মিরপুরের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ইতিমধ্যে প্রথম ব্যাচের ৫৪ জনের একটি টিমের প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। মহাপরিচালক আরো বলেন হংকং সরকার ইতিমধ্যে বাংলাদেশ সরকারের কছে ডিমান্ড লেটার পাঠিয়েছে।এতে প্রাথমিক ভাবে ৫০ হাজার নারী কর্মী চাওয়া হয়েছে।বছরে এক লাখের বেশি শ্রমিক নিতে পারে হংকং সরকার। বিএমইটি সূত্র জানায়,হংকং গমনেচ্ছুদের প্রশিক্ষণ চলবে দুইমাস ।প্রাথমিক অবস্থায় কেরানীগঞ্জ ও মিরপুরের প্রশিক্ষন কেন্দ্রে তাদের প্রশিক্ষণ চলবে। মালয়েশিয়ার মতোই সারা দেশে নিবন্ধনের মাধ্যমে লটারি করে হংকংয়ে শ্রমিক পাঠানো হবে।
তথ্য সূত্র:কালের কন্ঠ
মোঃ আনোয়ার হোসেন, খেদাপাড়া, মনিরামপুর, যশোর। আর বিস্তারিত জানতে আমার ওয়েব সাইটে প্রবেশ করুন।



No comments:
Post a Comment